হিত্তিক ও তুখারিক হচ্ছে কেন্তুমের এশীয় অঞ্চলের শাখা এবং হেল্লেনিক, ইতালো-কেল্টিক, টিউটোনিক বা জার্মানিক কেন্তুমের ইউরোপীয় শাখা। তামিল ও দ্রাবিড়, আর্য ও অনার্য এবং মাগধী ও গৌড়ী শতমের শাখা।
বাংলা ধ্বনিতত্ত্বে পাশাপাশি বা কাছাকাছি থাকা দুটি সমবর্ণের মধ্যে কোনো একটি বর্ণের পরিবর্তন ঘটলে তাকে সমীভবন বলে।
সঠিক উত্তর: সমীভবন।
সমীভবন কী?
‘সমীভবন’ শব্দের অর্থ হলো এক রকম বা সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যাওয়া। ধ্বনির ক্ষেত্রে একটি ধ্বনি তার পাশের ধ্বনির প্রভাবে পরিবর্তিত হয়ে যখন তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়, তখন তাকে সমীভবন বলা হয়।
অর্থাৎ, সহজভাবে মনে রাখুন—
একটি ধ্বনি অন্য ধ্বনির প্রভাবে তার মতো হয়ে যাওয়া = সমীভবন।
বিষমীভবন কী?
সমীভবনের বিপরীত প্রক্রিয়াকে বিষমীভবন বলা হয়। দুটি কাছাকাছি বা সাদৃশ্যপূর্ণ ধ্বনির মধ্যে একটি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে যখন অন্যটির থেকে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়, তখন তাকে বিষমীভবন বলে।
উদাহরণ: শরীর → শরীল
এখানে পাশাপাশি থাকা ‘র’ ও ‘র’-এর মধ্যে একটি পরিবর্তিত হয়ে ‘ল’ হয়েছে। ফলে দুটি ধ্বনির মধ্যে যে সাদৃশ্য ছিল, তা দূর হয়ে বৈসাদৃশ্য সৃষ্টি হয়েছে। এটিই বিষমীভবনের উদাহরণ।
সমীভবন ও বিষমীভবনের পার্থক্য
বিষয় কী ঘটে?সমীভবন একটি ধ্বনি অন্য ধ্বনির সদৃশ হয়ে যায় বিষমীভবন একটি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে অন্য ধ্বনি থেকে বিসদৃশ হয়ে যায়
সহজভাবে মনে রাখুন—
সমীভবন → মিল তৈরি হয় বিষমীভবন → অমিল তৈরি হয়
সংশ্লিষ্ট কয়েকটি পরিভাষা
সমীভবন: একটি ধ্বনি অন্য ধ্বনির প্রভাবে তার সঙ্গে সাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়।
বিষমীভবন: একটি ধ্বনি পরিবর্তিত হয়ে অন্য ধ্বনি থেকে বৈসাদৃশ্যপূর্ণ হয়ে যায়।
অপগত: ধ্বনির লোপ বা সরে যাওয়ার সঙ্গে সম্পর্কিত ধ্বনিগত পরিবর্তন।
পরাগত: ধ্বনির পরিবর্তনের একটি বিশেষ প্রক্রিয়া; এটি সমীভবনের সমার্থক নয়।
আমাদের কাছে রয়েছে নিউজপেপার ওয়েবসাইট, ব্লগ ওয়েবসাইট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, কোচিং ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স — আরও সব রকমের। যোগাযোগ করুন, আপনার পছন্দমতো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন।