মাকসুদুল আলম (১৪ ডিসেম্বর ১৯৫৪-২০ ডিসেম্বর, ২০১৪) ছিলেন একজন বাংলাদেশি জিনতন্ত্রবিদ। তাঁর নেতৃত্বে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়, বাংলাদেশ পাট গবেষণা ইনস্টিটিউট ও তথ্যপ্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান ডাটাসফটের একদল গবেষকের যৌথ প্রচেষ্টায় ২০১০ সালের মাঝামাঝি সময়ে সফলভাবে উন্মোচিত হয় পাটের জিন নকশা।
বাংলাদেশের মহান মুক্তিযুদ্ধের ১ নং সেক্টর ছিল চট্টগ্রাম। এই সেক্টরের কমান্ডার ছিলেন মেজর জিয়াউর রহমান (এপ্রিল থেকে জুন), এবং পরবর্তীতে মেজর রফিকুল ইসলাম (জুন থেকে ডিসেম্বর)।
বাংলাদেশে সবচেয়ে বেশি রেশম উৎপন্ন হয় রাজশাহী অঞ্চলে। 🏙️ রাজশাহী ‘রেশম নগরী’ নামেই পরিচিত এবং এখানকার রেশম শিল্পের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্য রয়েছে। বাংলাদেশ রেশম উন্নয়ন বোর্ডের সদর দপ্তরও রাজশাহীতে অবস্থিত। যদিও বেসরকারি উদ্যোগের মাধ্যমে রেশম উৎপাদন বর্তমানে বেশি হচ্ছে, তবুও এই অঞ্চলের আবহাওয়া এবং জমি রেশম চাষের জন্য অত্যন্ত উপযোগী।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন হলো সেন্টমার্টিন। পঞ্চম আদমশুমারি ২০১১ অনুযায়ী ভোলা জেলার দৌলতখান উপজেলার হাজীপুর ইউনিয়নকে আয়তনের দিক থেকে বাংলাদেশের ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন বলা হয় । তবে সাধারণত প্রশ্নপত্রে বা সাধারণ জ্ঞানে সেন্টমার্টিনকেই ক্ষুদ্রতম ইউনিয়ন হিসেবে উল্লেখ করা হয়। সেন্টমার্টিন দ্বীপ (যার অপর নাম নারিকেল জিঞ্জিরা) বাংলাদেশের একমাত্র প্রবাল দ্বীপ এবং এটি টেকনাফ উপজেলার অন্তর্গত একটি ইউনিয়ন।
বাংলাদেশের শহিদ বুদ্ধিজীবী দিবসটি ১৪ ডিসেম্বর তারিখে পালিত হয়। ১৯৭১ সালের এই দিনে পাকিস্তানি হানাদার বাহিনী ও তাদের এদেশীয় দোসররা (বিশেষ করে আল-বদর, আল-শামস ও রাজাকার বাহিনী) বাংলাদেশের স্বাধীনতা যুদ্ধের চূড়ান্ত বিজয়ের মাত্র কয়েক দিন আগে অসংখ্য বুদ্ধিজীবীকে নৃশংসভাবে হত্যা করে। এই হত্যাযজ্ঞের উদ্দেশ্য ছিল সদ্য স্বাধীন হতে যাওয়া বাংলাদেশকে মেধাশূন্য করা। তাই এই দিনটিকে শহীদ বুদ্ধিজীবীদের স্মরণে পালন করা হয়।
বাংলাদেশে সর্বাধিক বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনকারী খাত হলো তৈরি পোশাক। বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের সিংহভাগ, প্রায় ৮০-৮৬% আসে এই খাত থেকে। এটি বাংলাদেশের অর্থনীতির প্রধান চালিকাশক্তি এবং বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের সবচেয়ে বড় উৎস। রেমিট্যান্স বা প্রবাসীদের পাঠানো অর্থও বৈদেশিক মুদ্রা অর্জনের একটি বড় উৎস, তবে পণ্য রপ্তানির একক খাত হিসেবে তৈরি পোশাকই শীর্ষে।
বাংলাদেশের সবচেয়ে পুরাতন এবং বৃহত্তম কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় হলো বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি)। এটি ময়মনসিংহ শহরে অবস্থিত এবং ১৯৬১ সালের ১৮ আগস্ট প্রতিষ্ঠিত হয়। এটি দেশের তৃতীয় সরকারি বিশ্ববিদ্যালয় এবং প্রথম বিশেষায়িত কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়। আয়তনের দিক থেকে এটি বাংলাদেশের দ্বিতীয় বৃহত্তম সরকারি বিশ্ববিদ্যালয়।
বাংলাদেশের একমাত্র গার্লস ক্যাডেট কলেজটি ময়মনসিংহ জেলায় অবস্থিত। এটি ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজ নামে পরিচিত। যদিও পরবর্তীতে ফেনী গার্লস ক্যাডেট কলেজ এবং জয়পুরহাট গার্লস ক্যাডেট কলেজ নামে আরও দুটি গার্লস ক্যাডেট কলেজ প্রতিষ্ঠিত হয়েছে, প্রশ্নটি ‘একমাত্র’ গার্লস ক্যাডেট কলেজ সম্পর্কে জানতে চেয়েছে, যা প্রশ্নের সমসাময়িক ময়মনসিংহ গার্লস ক্যাডেট কলেজকেই নির্দেশ করে। এটিই মেয়েদের জন্য বাংলাদেশের প্রথম ক্যাডেট কলেজ।
আমাদের কাছে রয়েছে নিউজপেপার ওয়েবসাইট, ব্লগ ওয়েবসাইট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, কোচিং ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স — আরও সব রকমের। যোগাযোগ করুন, আপনার পছন্দমতো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন।