বাংলা গদ্যের জনক কে?

বাংলা গদ্যের জনক কে?

বাংলা বাংলা সাহিত্যিক ও সাহিত্যকর্ম
ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর সঠিক উত্তর
বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়
উইলিয়াম কেরী
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর
ব্যাখ্যা দেখুন

‘বাংলা গদ্যের জনক’ ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর। – তিনি বাংলা সাহিত্যে যতি বা বিরাম চিহ্নের প্রবর্তন করে গদ্যের অনুশীলন পর্যায়ে সুশৃঙ্খলতা ও পরিমিতিবোধ সঞ্চার করে বাংলা গদ্যরীতিকে এক অনন্য উচ্চতায় অধিষ্ঠিত করেন। – সংস্কৃত ভাষা ও সাহিত্যে অগাধ পাণ্ডিত্যের জন্য সংস্কৃত কলেজ থেকে ১৮৩৯ সালে তিনি বিদ্যাসাগর উপাধি লাভ করেন। তাঁর কিছু শিক্ষামূলক গ্রন্থ – বর্ণপরিচয় (১ম ও ২য় ভাগ ; ১৮৫৫) – ঋজুপাঠ (১ম, ২য় ও ৩য় ভাগ ; ১৮৫১-৫২) – সংস্কৃত ব্যাকরণের উপক্রমণিকা (১৮৫১) – ব্যাকরণ কৌমুদী (১৮৫৩) তাঁর রচিত মৌলিক গ্রন্থ – সংস্কৃত ভাষা ও সংস্কৃত সাহিত্য বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৩) – বিধবা বিবাহ চলিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব (১৮৫৫) – বহুবিবাহ রহিত হওয়া উচিত কিনা এতদ্বিষয়ক প্রস্তাব (প্রথম খন্ড ১৮৭১, ২য় খন্ড ১৮৭৩) – ‘অতি অল্প হইল’ এবং ‘আবার অতি অল্প হইল’ দুখানা পুস্তক ১৮৭৩, বিধবা বিবাহ বিরোধী পণ্ডিতদের প্রতিবাদের উত্তরে ‘কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য’ ছদ্মনামে রচিত। – ব্রজবিলাস, যৎকিঞ্চিৎ অপূর্ব্ব মহাকাব্য (নভেম্বর, ১৮৮৪) – “কবিকুলতিলকস্য কস্যচিৎ উপযুক্ত ভাইপোস্য” ছদ্মনামে রচিত। বিধবাবিবাহের বিরুদ্ধে ব্রজনাথ বিদ্যারত্নের রচনার প্রত্যুত্তরে লিখিত হয়। – রত্নপরীক্ষা (১৮৮৬) – প্রভাবতী সম্ভাষণ (সম্ভবত ১৮৬৩) – জীবন-চরিত (১৮৯১ ; মরণোত্তর প্রকাশিত) – শব্দমঞ্জরী (১৮৬৪) – নিষ্কৃতি লাভের প্রয়াস (১৮৮৮) উৎস: বাংলা ভাষা ও সাহিত্য জিজ্ঞাসা, ড. সৌমিত্র শেখর; সাহিত্যপাঠ, একাদশ-দ্বাদশ শ্রেণি (২০২০-২১ সংস্করণ); বাংলাপিডিয়া ।

🔒 ২ পেজের পর পরবর্তী পেজগুলো দেখতে লগইন করুন

ওয়েবসাইট লাগবে?

আমাদের কাছে রয়েছে নিউজপেপার ওয়েবসাইট, ব্লগ ওয়েবসাইট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, কোচিং ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স — আরও সব রকমের। যোগাযোগ করুন, আপনার পছন্দমতো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন।

হোয়াটসঅ্যাপ: 01823231725