বাংলাদেশের সাহিত্যে চেতনাপ্রবাহ রীতি ও মনঃসমীক্ষাধর্মী উপন্যাসের অন্যতম স্রষ্টা সৈয়দ ওয়ালীউল্লাহর সামাজিক সমস্যামূলক নাটক 'বহিপীর' (১৯৬০)। এছাড়া তাঁর আরও কয়েকটি নাটক 'তরঙ্গভঙ্গ' (১৯৬৪), 'উজানে মৃত্যু' (১৯৬৩) ও 'সুড়ঙ্গ' (১৯৬৪)। অন্যদিকে, 'কবর', 'পায়ের আওয়াজ পাওয়া যায়' ও 'ওরা কদম আলী' নাটকের রচয়িতা যথাক্রমে মুনীর চৌধুরী, সৈয়দ শামসুল হক ও মামুনুর রশীদ।
যেসব শব্দ সংস্কৃত ভাষা থেকে কিছুটা বিকৃত হয়ে বাংলা ভাষায় গৃহীত ও ব্যবহৃত হয়েছে, সেসব শব্দকে অর্ধ-তৎসম শব্দ বলে। বদ্যি, তেষ্টা ও মিষ্টি শব্দত্রয় যথাক্রমে সংস্কৃত বৈদ্য, তৃষ্ণা ও মিষ্ট শব্দ থেকে এসেছে। অন্যদিকে, চন্দ্র (তৎসম) > চন্দ (প্রাকৃত) > চাঁদ (তদ্ভব)। চাঁদ হলো তদ্ভব শব্দ। উল্লেখ্য, তদ্ভব শব্দগুলোকে খাঁটি বাংলা শব্দও বলা হয়।
মুসলিম সাহিত্য সমাজের মুখপত্র হিসেবে ১৯২৭ সালে প্রকাশিত বার্ষিক 'শিখা' পত্রিকার স্লোগান ছিল 'জ্ঞান যেখানে সীমাবদ্ধ, বুদ্ধি সেখানে আড়ষ্ট, মুক্তি সেখানে অসম্ভব'। পত্রিকাটির সম্পাদক ছিলেন আবুল হোসেন। একাধারে পাঁচ বছর পত্রিকাটি প্রকাশিত হয়েছিল। আবুল হোসেনের পরবর্তী সম্পাদক ছিলেন ড. কাজী মোতাহার হোসেন, মোহাম্মদ আবদুর রশীদ ও আবুল ফজল।
দীনবন্ধু মিত্রের 'নীলদর্পণ' নাটকটি ১৮৬০ সালে ঢাকা থেকে প্রথম প্রকাশিত হয়। নাটকটি বাংলাদেশের মেহেরপুর অঞ্চলের নীলকরদের অত্যাচার ও নীলচাষীদের দুঃখ-কষ্ট নিয়ে রচিত হয়েছে। অন্যদিকে, 'মেঘনাদবধ কাব্য' (১৮৬১) মাইকেল মধুসূদন দত্ত রচিত বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক মহাকাব্য। বঙ্কিমচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়ের 'দুর্গেশনন্দিনী' (১৮৬৫) বাংলা সাহিত্যের প্রথম সার্থক উপন্যাস। কাজী নজরুল ইসলামের প্রথম প্রকাশিত কাব্যগ্রন্থ হলো 'অগ্নি-বীণা' (১৯২২)।
আমাদের কাছে রয়েছে নিউজপেপার ওয়েবসাইট, ব্লগ ওয়েবসাইট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, কোচিং ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স — আরও সব রকমের। যোগাযোগ করুন, আপনার পছন্দমতো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন।