ফ্রি অ্যাকাউন্টে সীমাহীন MCQ অনুশীলন — আজই শুরু করুন

বাংলা বাংলা ভাষা (ব্যাকরণ) ৪টি বিকল্প

কোনটি শুদ্ধ বানান ?

Transluscent
Translucent সঠিক উত্তর
Translusent
Tranclucent
ব্যাখ্যা দেখুন
Translucent অর্থ স্বচ্ছ ।
সং+গীত
সম্+গীত সঠিক উত্তর
সং+গিত
সম্+গিত
ব্যাখ্যা দেখুন
’সংগীত’ এর সন্ধি বিচ্ছেদ - সম্‌ + গীত।‘ম’ - এর পরে কোনো বর্গীয় ধ্বনি বা স্পর্শ ধ্বনি আসলে ‘ম’ তার পরের ধ্বনির নাসিক্য ধ্বনি হয়ে যায়। অর্থাৎ, ‘ম’ - এর পরে যে বর্গীয় ধ্বনি আসে, ‘ম’ সেই ধ্বনির বর্গের পঞ্চম ধ্বনি হয়ে যায়। সম + চয় = সঞ্চয়, সম + দর্শন = সন্দর্শন। উল্লেখ্য, আধুনিক বাংলায় ‘ম’ - এর পরে ক - বর্গীয় ধ্বনি থাকলে ক - বর্গের নাসিক্য/ পঞ্চম ধ্বনি ‘ঙ’ - র বদলে ‘ং’ হয়। যেমন, ‘সম + গত’ - এ ‘ম’ ও ‘গ (ক - বর্গীয় ধ্বনি)’ সন্ধি হয়ে ‘ম’, ‘ঙ’ না হয়ে ‘ং’ হয়ে ‘সংগত’।
কালো
অন্ধকার
রাত্রি
আলো সঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা দেখুন
‘তিমির’ এর বিপরীতার্থক শব্দ আলো ‘
অনিল
প্রসুন সঠিক উত্তর
পবন
বায়ু
ব্যাখ্যা দেখুন
বাতাস এর সমার্থক শব্দ: অনিল, পবন, হাওয়া, সমীর, সমীরণ, মারুত, গন্ধবহ, বায়ু, বাত, বায়, প্রভঞ্জন ইত্যাদি।
দ্বন্দ্ব সমাস
অব্যয়ীভাব সমাস
বহুব্রীহি সমাস
তৎপুরুষ সমাস সঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা দেখুন
না বাচক নঞ্ অব্যয় (না, নেই, নাই, নয়) পূর্বে বসে যে তৎপুরুষ সমাস হয়, তাকে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস বলে। যেমন: ন আচার = অনাচার, ন কাতর = অকাতর। এরূপ - অনাদর, নাতিদীর্ঘ, নাতিখর্ব, অভাব, বেতাল ইত্যাদি। খাঁটি বাংলায় অ, আ, না কিংবা অনা হয়। যেমন: ন কাল = অকাল বা আকাল। এরূপ - আধোয়া, নামঞ্জুর, অকেজো, অজানা, অচেনা, আলুনি, নাছোড়, অনাবাদী, নাবালক ইত্যাদি। না - বাচক অর্থ ছাড়াও বিশেষ বিশেষ অর্থে নঞ্ তৎপুরুষ সমাস হতে পারে। যেমন: ন বিশ্বাস = অবিশ্বাস (বিশ্বাসের অভাব), ন লৌকিক = অলৌকিক (ভিন্নতা), ন কেশা = অকেশা (অল্পতা), ন সুর = অসুর (বিরোধ), ন কাল = অকাল (অপ্রশস্ত), ন ঘাট = অঘাট (মন্দ)। এরূপ - অমানুষ, অসঙ্গত, অভদ্র, অনন্য, অগম্য ইত্যাদি ।
সংযুক্ত বাক্য
যৌগিক বাক্য
সরল বাক্য
মিশ্র বাক্য সঠিক উত্তর
ব্যাখ্যা দেখুন
জটিল বা মিশ্র বাক্য : যে বাক্যে একটি প্রধান খণ্ডবাক্য ও তাকে আশ্রয় বা অবলম্বন করে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে, তাকে জটিল বা মিশ্র বাক্য বলে। জটিল বাক্যে একাধিক খণ্ডবাক্য থাকে। এদের মধ্যে একটি প্রধান থাকে, এবং অন্যগুলো সেই বাক্যের উপর নির্ভর করে। প্রতিটি খ - বাক্যের পরে কমা (, ) বসে। যেমন- যে পরিশ্রম করে, / সে - ই সুখ লাভ করে। (প্রথম অংশটি আশ্রিত খণ্ডবাক্য, দ্বিতীয়টি প্রধান খণ্ডবাক্য) ; যত পড়বে, / তত শিখবে, / তত ভুলবে। (প্রথম দুটি অংশ আশ্রিত খণ্ডবাক্য, শেষ অংশটি প্রধান খণ্ডবাক্য) । জটিল বা মিশ্র বাক্য চেনার সহজ উপায় হল, এ ধরনের বাক্যে সাধারণত যে - সে, যত - তত, যারা - তারা, যাদের - তাদের, যখন - তখন - এ ধরনের সাপেক্ষ সর্বনাম পদ থাকে। দুইটি অব্যয় যদি অর্থ প্রকাশের জন্য পরস্পরের উপর নির্ভর করে, তবে তাকে সাপেক্ষ সর্বনাম বলে। আবার যদি - তবু, অথচ - তথাপি - এ রকম কিছু পরস্পর সাপেক্ষ সর্বনাম/অব্যয়ও জটিল/মিশ্র বাক্যে ব্যবহৃত হয়। তবে এ ধরনের অব্যয় ছাড়াও জটিল বা মিশ্র বাক্য হতে পারে ।
উৎ+নয়ন সঠিক উত্তর
উন্ন+য়ন
উৎ+য়ন
উৎ+অন
ব্যাখ্যা দেখুন
নাসিক্য ধ্বনির পরে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি আসলে অঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনিটি নিজ বর্গের ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনি বা নাসিক্য ধ্বনি হয়ে যায়। অর্থাৎ, ঙ, ঞ, ণ, ন, ম - এদের পরে ক, চ, ট, ত, প থাকলে ক, চ, ট, ত, প যথাক্রমে গ, জ, ড, দ, ব অথবা ঙ, ঞ, ণ, ন, ম হয়ে যায়। অর্থাৎ, বর্গের পঞ্চম/ শেষ ধ্বনির পরে বর্গের প্রথম ধ্বনি আসলে বর্গের প্রথম ধ্বনি তার নিজ বর্গের তৃতীয় বা পঞ্চম/ শেষ ধ্বনি হয়ে যায়। উল্লেখ্য, এক্ষেত্রে অধিকাংশ সময়েই ঘোষ অল্পপ্রাণ ধ্বনির চেয়ে নাসিক্য ধ্বনিই অধিক প্রচলিত ।
মেজাজ
সৌম্য সঠিক উত্তর
বিজ্ঞ
আলো
ব্যাখ্যা দেখুন
সৌম্য মানে শান্ত এর বিপরীত শব্দ উগ্র।
দ্বিগু সমাস সঠিক উত্তর
বহুব্রীহি সমাস
তৎপুরুষ সমাস
দ্বন্দ্ব সমাস
ব্যাখ্যা দেখুন
সমাহার বা সমষ্টি বা মিলন অর্থে সংখ্যাবাচক শব্দের সঙ্গে বিশেষ্য পদের যে সমাস হয়, তাকে দ্বিগু সমাস বলে। দ্বিগু সমাসে সমাসনিষ্পন্ন পদটি বিশেষ্য পদ হয়।তবে অনেক ব্যাকরণবিদ দ্বিগু সমাসকে কর্মধার‍য় সমাসের অন্তর্ভুক্ত করেছেন ।
কর্তায় শন্য
অধিকরণে দ্বিতীয়া
কর্মে প্রথমা সঠিক উত্তর
অপাদানে পঞ্চমী
ব্যাখ্যা দেখুন
যাকে আশ্রয় করে কর্তা ক্রিয়া সম্পন্ন করে, তাকে কর্মকারক বলে। কর্ম দুই প্রকার: মুখ্য কর্ম ও গৌণ কর্ম। যেমন: বাবা আমাকে (গৌণ কর্ম) একটি কলম (মুখ্য কর্ম) কিনে দিয়েছেন। সাধারণত মুখ্য কর্ম বস্তুবাচক ও গৌণ কর্ম প্রাণিবাচক হয়ে থাকে। এছাড়াও সাধারণত কর্মকারকের গৌণ কর্মে বিভক্তি যুক্ত হয়, মুখ্য কর্মে হয় না।

🔒 পরবর্তী পেজগুলো দেখতে লগইন করুন