উৎপত্তি অনুসারে বাংলা ভাষার শব্দসমূহ ৫ ভাগে বিভক্ত। সেগুলো হলো— i. তৎসম, ii. অর্ধ-তৎসম, iii. তদ্ভব, iv. দেশি ও v. বিদেশি। অন্যদিকে, গঠনের দিক থেকে শব্দকে মৌলিক ও সাধিত এই দুই ভাগে এবং অর্থের দিক থেকে যৌগিক, রূঢ়ি ও যোগরূঢ় এই তিন ভাগে ভাগ করা যায়।
বাংলা ভাষায় ব্যবহৃত তৎসম বা সংস্কৃত উপসর্গের মোট সংখ্যা ২০টি। সেগুলো হলো— প্র, পরা, অপ, সম, নি, অব, অনু, নির, দূর, বি, সু, উৎ, অধি, পরি, প্রতি, উপ, অতি, আ, অপি। উল্লেখ্য, খাঁটি বাংলা উপসর্গের সংখ্যা ২১টি।
প্রদত্ত অপশনগুলোর মধ্যে ‘ঐন্দ্রজালিক’ বানানটি শুদ্ধ। শব্দটি ‘ইন্দ্রজাল’ থেকে ‘ঐন্দ্রজাল’ + ‘ইক’ (ইন্দ্রজাল সম্পর্কিত) যুক্ত হয়ে গঠিত, যেখানে মূল বানান ‘ঐন্দ্রজালিক’। এর অর্থ জাদুবিদ্যা সংক্রান্ত।
‘বইপড়া’ প্রবন্ধটির লেখক প্রমথ চৌধুরী। এটি তার ‘প্রবন্ধ সংগ্রহ’ থেকে সংকলিত হয়েছে। একটি লাইব্রেরির বার্ষিক সভায় প্রবন্ধটি পঠিত হয়েছিল। এ প্রবন্ধে লেখক বইপড়াকে সর্বশ্রেষ্ঠ শখ হিসেবে উল্লেখ করেছেন। লাইব্রেরির গুরুত্বকে তিনি হাসপাতালের চেয়ে কম মনে করেননি। প্রমথ চৌধুরী বাংলা ভাষার চলিত রীতির প্রবর্তক। ‘বীরবলের হালখাতা, রায়তের কথা, প্রবন্ধ সংগ্রহ, তেল-নুন-লকড়ি’ তার উল্লেখযোগ্য গ্রন্থ। রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের উল্লেখযোগ্য প্রবন্ধ ‘কালান্তর, সভ্যতার সংকট’। মোতাহের হোসেন চৌধুরীর বিখ্যাত প্রবন্ধগ্রন্থ ‘সংস্কৃতি কথা’।
আমাদের কাছে রয়েছে নিউজপেপার ওয়েবসাইট, ব্লগ ওয়েবসাইট, স্কুল ম্যানেজমেন্ট, কোচিং ম্যানেজমেন্ট, ই-কমার্স — আরও সব রকমের। যোগাযোগ করুন, আপনার পছন্দমতো ওয়েবসাইট বানিয়ে নিন।